বেনজীর আহমেদ

রাজধানীর মিরপুর মাজার রোডের উগ্রবাদী আস্তানায় দুর্ধর্ষ উগ্রবাদী আব্দুল্লাহসহ ৭জন রয়েছে এবং তাদের কাছে বিপুল পরিমান বিষ্ফোরক দ্রব্যও রয়েছে।
র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি বলেন, দুর্ধর্ষ উগ্রবাদী আবদুল্লাহ তার দুই স্ত্রী, দুই সন্তান ও দু’সহযোগীসহ মোট সাতজন ওই ভবনের পঞ্চম তলায় অবস্থান নিয়েছে বলে তারা নিশ্চিত হয়েছেন। আব্দুল্লাহ র‌্যাবকে জানিয়েছে, তার কক্ষে ৫০টির মতো আইইডি রয়েছে। এ ছাড়া আরও বিভিন্ন ধরনের দাহ্য পদার্থ রয়েছে। তার কাছে একটি পিস্তল রয়েছে বলে র‌্যাব ধারনা করছে।
র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, আবদুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণ করতে বলা হলে সে সময় চেয়েছে। তিনি বলেন, ‘যেহেতু ভেতরে দুটি শিশু রয়েছে, আমরা তাদের জীবিত উদ্ধারের জন্য সময় দিচ্ছি। চূড়ান্ত অভিযানের জন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। তার সিদ্ধান্তের ওপরই সব কিছু নির্ভর করছে।’
বেনজির আহমেদ বলেন, ইতোমধ্যে ওই বাড়ির বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। ভবনের ২৪টি ফ্ল্যাটের মধ্যে ২৩টির ৬৫ জন বাসিন্দাকে সরিয়ে আনা হয়েছে। তাদেরকে স্থানীয় একটি স্কুলে রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ জন শিশু, ২৪জন নারী ও ২৬ জন পুরুষ রয়েছে। তাদের মধ্যে আবদুল্লাহর এক বোনও রয়েছে বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ২০০৫ সাল থেকে উগ্রবাদে জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে সে মিরপুর মাজার রোডে বসবাস করে আসছে। সে কবুতরের ব্যবসার পাশাপাশি আইপিএস ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী মেরামতের কাজও করতো।
র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বাসস’কে জানান, র‌্যাব সদস্যরা সোমবার রাত ১টার দিকে ওই বাড়ি ঘিরে ফেলার পর সেখান থেকে চারটি বোমা ছোঁড়া হয়। এর মধ্যে পেট্রোল বোমাও ছিল। এতে কেউ হতাহত হয়নি। ওই বাড়ি থেকে র‌্যাবের দিকে গুলিও ছোঁড়া হয়েছিল বলে তিনি জানান।

Please follow and like us:
error