রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের মধ্যে পশু কোরবানির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকায় মঙ্গলবার নগর ভবনে দুই সিটির এক সমন্বয় সভা শেষে মেয়র খোকন এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য সুষ্ঠুভাবে   ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপসারণের জন্য দুই সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মীদের ঈদের

ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

আমরা আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করতে পারব। তিনি জানান, রাজধানীতে পশু কোরবানির জন্য ১ হাজার ১৭৪টি স্থান নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬২৫টি এবং উত্তর সিটি করপোরেশনে ৫৪৯টি স্থানে পশু  কোরবানি দেয়া যাবে। নির্ধারিত স্থানের বাইরে পশু কোরবানিতে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে গত কয়েক বছর ধরে আলাদাভাবে স্থান নির্ধারণ করে দেয়া হচ্ছে। এবারও সেটি করা হয়েছে। মেয়র বলেন, আপনারা নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করুন। তাহলে আমাদের বর্জ্য অপসারণ করা সহজ হবে। বাড়ির ভেতরে কোরবানি করলেও নির্ধারিত ব্যাগে ময়লাগুলো বাইরে এনে রাখবেন। এ সময় মেয়র বলেন, এবার দুই সিটি করপোরেশন মিলিয়ে ঢাকায় প্রায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার পশু কোরবানি হতে পারে। এই হিসেবে ঈদের তিন দিনে প্রায় ২৫ হাজার টন অতিরিক্ত বর্জ্য তৈরি হবে রাজধানীতে। তাই কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের জন্য দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আড়াই লাখ চটের ব্যাগ এবং উত্তর সিটি করপোরেশন ৪ লাখ ৫৫ হাজার পলিব্যাগ সরবরাহ করবে।